দুর্নীতি
সাতক্ষীরার গুড়পুকুর মেলায় পৌরসভার রাজস্ব ফাঁকি, দৈনিক লাখ লাখ টাকার হরিলুট
সাতক্ষীরার প্রায় ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা ঘিরে উঠেছে বিপুল অর্থ আদায়ের অভিযোগ। দোকান বরাদ্দ, দৈনিক ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ও অন্যান্য খরচের নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হচ্ছে। নাগরিক নেতাদের দাবি, মেলায় প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ টাকা আদায় হচ্ছে। অথচ পৌরসভার মালিকানাধীন শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা বসানো হলেও কোনো রাজস্ব পায়নি সাতক্ষীরা পৌরসভা। মেলার অর্থ আদায়, ইজারা ও ব্যবস্থাপনায় কারা যুক্ত, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
পটুয়াখালীর হাসপাতালে ঠিকাদার বদল হলেও কাটেনি অনিয়মের ভূত
পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে দীর্ঘ ১৮ বছর পর রোগীর পথ্য সরবরাহকারী ঠিকাদার পরিবর্তন করা হলেও অনিয়মের অভিযোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। এবার সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা বেশি দরের আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক বঞ্চিত ঠিকাদার।
সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন আহমেদকে দুদকের তলব
বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় তাঁকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।
উজিরপুরে জিও ব্যাগের বদলে পাটের বস্তায় সড়ক পাইলিং! ৭৫ লাখের প্রকল্পে হরিলুট
বরিশালের উজিরপুরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রক্ষায় পাইলিংয়ের কাজে অভিনব অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কে নির্ধারিত জিও ব্যাগের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে পুরোনো পাটের বস্তা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এই অনিয়মের কারণে সরকারি বিপুল অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি সড়কটি দ্রুতই ধসে পড়বে।
বেহুদা মানুষ
মানুষ 'আজ মরলি কাইল দু’দিন'---
তারপর তার আর নামগন্ধ নাই---বাই-বাই যাই।
যদি ঋদ্দিমান, মহতি হয় তাও বছর সাল এক কী দুবার; স্মরণ-তর্পণ, পালা-মিডিয়া-পত্রিকা-নেটিজেনে হাপুসহুপুস । তারপর যার যার তার তার ব্যস্ততায় ভরপুর দিনমান।
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, প্রমাণিত হলে কী শাস্তি?
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনকাল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি সংবিধান লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, মৌলিক অধিকার হরণ, বিচারিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ, দুর্নীতি এবং গুরুতর অবহেলার মতো নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব অভিযোগের কিছু সরাসরি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে, আবার কিছু তার নেতৃত্বাধীন সরকারের কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে। অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।